বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত
শিরোনাম:
দাও হে আমার ভয় ভেঙে দাও
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ৩৮২ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
বিবিধ
১০:
দাও হে আমার ভয় ভেঙে দাও।
আমার দিকে ও মুখ ফিরাও ॥
কাছে থেকে চিনতে নারি, কোন্ দিকে যে কী নেহারি,
তুমি আমার হৃদ্বিহারী হৃদয়-পানে হাসিয়া চাও ॥
বলো আমায় বলো কথা, গায়ে আমার পরশ করো।
দক্ষিণ হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমায় তুমি তুলে ধরো।
যা বুঝি সব ভুল বুঝি হে, যা খুঁজি সব ভুল
খুঁজি হে—
হাসি মিছে, কান্না মিছে—
সামনে এসে এ ভুল ঘুচাও ॥
- তথ্যসন্ধান
- রচনাকাল ও স্থান:
RBVBMS 478
পাণ্ডুলিপিতে লিখিত এই গানটির সাথে গনাটি রচনার তারিখ উল্লেখ আছে- '১৬ ভাদ্র'।
বোলপুর।
গীতাঞ্জলি
অন্তর্ভুক্ত এই গানের সাথে তারিখ উল্লেখ আছে, '১৬ ভাদ্র ১৩১৬'।
উল্লেখ্য, ১৩১৬ বঙ্গাব্দের ৭ই ভাদ্র
[সোমবার, ২৩ আগষ্ট ১৯০৯] রবীন্দ্রনাথ কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতনে আসেন এবং ১৮শে
ভাদ্র পর্যন্ত শান্তিনিকেতনে কাটান। এই সময়
তিনি এই গানটি -সহ ১৮টি গান রচনা করেন। এর ভিতরে তিনি এই গানটি রচনা করেন- ১৬ ভাদ্র [বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ]।
এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৪৮ বৎসর ৪ মাস।
[৪৮ বৎসর
অতিক্রান্ত বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
- প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ:
-
কাব্যগ্রন্থ
-
অষ্টম খণ্ড
[ইন্ডিয়ান প্রেস
১৩২৩ বঙ্গাব্দ। গীতাঞ্জলি। ২৬ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৩১০]
[নমুনা]
-
গান
-
দ্বিতীয় সংস্করণ
[ ইন্ডিয়ান প্রেস,
১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। ঝিঝিঁট-ঠুংরি। পৃষ্ঠা ৪০৯] [নমুনা]
-
গীতবিতান
-
গীতলিপি দ্বিতীয়
ভাগ [৬ আষাঢ়, ১৩১৭ বঙ্গাব্দ, ২০ জুন ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ। সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল]
-
গীতাঞ্জলি
-
প্রথম সংস্করণ
[ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ২০ ভাদ্র ১৩১৭ বঙ্গাব্দ । ৩৩ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৩৯]
[নমুনা]
- রবীন্দ্ররচনাবলী
একাদশ খণ্ড (বিশ্বভারতী)। ৩২ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ২৮।
-
ধর্ম্মসঙ্গীত
[ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠ ৩৪]
[নমুনা]
-
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি
[১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ] ভীমরাও শাস্ত্রী-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত
হয়েছিল।
-
স্বরবিতান অষ্টাত্রিংশ খণ্ড
(৩৮) খণ্ডের ১২ সংখ্যক গান। মিশ্র-কাওয়ালি। পৃষ্ঠা ৩৬-৩৮।
[নমুনা]
- প্রকাশের কালানুক্রম:
গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৩১৬ বঙ্গাব্দ প্রকাশিত
গান নামক গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ)অন্তর্ভূক্ত হয়ে। এরপর যে সকল গ্রন্থে অন্তর্ভূক্ত হয়ে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
গীতাঞ্জলি প্রথম সংস্করণে (১৩১৭ বঙ্গাব্দ),
গীতলিপি দ্বিতীয় ভাগ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ)
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) ও
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ)।
এরপর
গীতবিতানের
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) গানটি অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে
পূজা
পর্যায়ের
বিবিধ
উপবিভাগের ১০
সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন
মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৮২
সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
- সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী: