১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ (গ্রেগরীয় বর্ষাপঞ্জী)
৩ ফাল্গুন, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ (বাংলা পঞ্জিকা)
২১ জিলহজ, ১৩৯০ হিজরী
মঙ্গলবার

সূর্যোদয়: ঢাকা- ভোর ৬:৩৪ মিনিট (প্রায়)
সূর্যাস্ত: ঢাকা- সন্ধ্যা ৫:৫৬ মিনিটে (প্রায়)

বাংলাদেশের -এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলি
১. ভুট্টোর বয়কটের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষোভ: পিপিপি প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টোর জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বয়কটের ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, পিপিপি এবং সামরিক জান্তার এই যোগসাজশ কোনোভাবেই সফল হবে না। জনগণ এবং রাজনৈতিক মহল এই ঘোষণাকে কেবল বাঙালির ম্যান্ডেটকে অস্বীকার করা নয়, বরং পাকিস্তান ভাঙার এক উস্কানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

২. বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় অবস্থান:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজ ধানমন্ডির বাসভবনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এক জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে ভুট্টোর বয়কটের প্রেক্ষাপটে করণীয় ঠিক করতে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বঙ্গবন্ধু পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ছয় দফার ভিত্তিতেই শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে এবং বাঙালির অধিকার আদায়ে আওয়ামী লীগ তার অবস্থানে অনড় থাকবে। কোনো গোপন আঁতাত বা চাপের কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

৩.উত্তাল রাজপথ: ভুট্টোর বক্তব্যের পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। সারা দেশে ছাত্র-জনতা পিপিপির এই অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। বিভিন্ন স্থানে 'ভুট্টোর ষড়যন্ত্র মানি না' স্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পিপিপির এই অবস্থানের কারণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ এখন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।
সমসাময়িক বিশ্ব্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব (ইতিহাসের এই দিনে) জন্ম মৃত্যু
সূত্র: