২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ (গ্রেগরীয় বর্ষাপঞ্জী)
১০ ফাল্গুন, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ (বাংলা পঞ্জিকা)
২৮ জিলহজ, ১৩৯০ হিজরী
মঙ্গলবার

সূর্যোদয়: ঢাকা- ভোর ৬:৩০ মিনিট (প্রায়)
সূর্যাস্ত: ঢাকা- সন্ধ্যা ৫:৫৯ মিনিটে (প্রায়)

বাংলাদেশের -এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলি
১. চরম উত্তেজনার পারদ: ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডাকার ঘোষণার পর থেকেই পাকিস্তানের সামরিক সরকার এবং পিপিপি যে তালবাহানা করছে, তা আজ এক চরম উত্তেজনাকর পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাওয়ালপিন্ডি থেকে আসা খবরগুলোতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, সামরিক শাসকরা ক্ষমতার হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করার জন্য কোনো অন্তর্ঘাতী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ধানমন্ডির বাসভবনে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন।

২.ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সংকল্প: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আজ এক বিশাল জরুরি সভার আয়োজন করে। সভার মূল বার্তা ছিল—৩ মার্চের অধিবেশন বানচালের কোনো প্রচেষ্টাই বরদাশত করা হবে না। ছাত্ররা সারা দেশে প্রতিটি জেলা ও মহকুমা পর্যায়ের কর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ পাঠিয়েছে। জনমনে এই উপলব্ধি দৃঢ় হয়েছে যে, আলোচনা বা সমঝোতার নামে শাসকগোষ্ঠী আসলে কোনো সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

৩. রাজনৈতিক সতর্কতা:বঙ্গবন্ধুর দলীয় কার্যালয়ে আজ সাধারণ মানুষের উপচেপড়া ভিড় ছিল। তারা জানতে চায়—আন্দোলনের পরবর্তী দিকনির্দেশনা কী? বঙ্গবন্ধু সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন, তবে একই সাথে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যে, বাঙালির অধিকার আদায়ে যেকোনো চূড়ান্ত ত্যাগ স্বীকারের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি অগ্নিগর্ভ।
সমসাময়িক বিশ্ব্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব (ইতিহাসের এই দিনে) জন্ম মৃত্যু
সূত্র: