৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ (গ্রেগরীয় বর্ষাপঞ্জী)
২০ মাঘ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ (বাংলা পঞ্জিকা)
৮ জিলহজ, ১৩৯০ হিজরী
বুধবার

সূর্যোদয়: ঢাকা- ভোর ৬:৩৮ মিনিট (প্রায়)
সূর্যাস্ত: ঢাকা- সন্ধ্যা ৫:৫০ মিনিটে (প্রায়)

বাংলাদেশের -এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলি
১. ইয়াহিয়া খানের নীরবতা ও আওয়ামী লীগের সতর্কতা: ভুট্টোর ঢাকা সফর শেষে ফিরে যাওয়ার পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা বা পদক্ষেপের অভাব ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে এমন আশঙ্কা তৈরি হয় যে, সরকার কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বাসভবনে দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে এক জরুরি বৈঠকে বসেন এবং জাতীয় পরিষদের আসন্ন অধিবেশন নিয়ে দলের কৌশল নির্ধারণ করেন।

২. ছাত্র ও গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতা:
রাজপথে আন্দোলনরত ছাত্র সংগঠনগুলো আজ আরও সংগঠিত কর্মসূচি ঘোষণা করে। ভুট্টোর সফরের পর মানুষের মনে যে সন্দেহের দানা বেঁধেছিল, তা প্রকাশ পায় বিভিন্ন বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে। ঢাকার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও "ভুট্টোর ষড়যন্ত্র মানি না, বাংলার স্বাধীনতা চাই" স্লোগানে মুখরিত হয়।

৩. রাজনৈতিক অঙ্গনের অনিশ্চয়তা:
আলোচনার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে জনগণের রায়ের সাথে সামান্যতম আপসও করা হবে না।
সমসাময়িক বিশ্ব্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব (ইতিহাসের এই দিনে) জন্ম মৃত্যু
সূত্র: