২১ জানুয়ারি, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ (গ্রেগরীয় বর্ষাপঞ্জী)
৭ মাঘ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ (বাংলা পঞ্জিকা)
২৩ জিলকদ, ১৩৯০ হিজরী
বৃহস্পতিবার

সূর্যোদয়: ঢাকা- ভোর ৬:৪৫ মিনিট (প্রায়)
সূর্যাস্ত: ঢাকা- সন্ধ্যা ৫:৪২ মিনিটে (প্রায়)

বাংলাদেশের -এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলি
১. মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক হুঁশিয়ারি: টাঙ্গাইলের সন্তোষে এক বিশাল জনসভায় ন্যাপ নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী স্পষ্ট ঘোষণা করেন, "যদি পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের (আওয়ামী লীগ) হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে দেরি করে বা ষড়যন্ত্র করে, তবে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।" তাঁর এই 'স্বাধীনতার ডাক' আন্দোলনকে আরও প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়।

২. জাতীয় পরিষদের অধিবেশন নিয়ে অনিশ্চয়তা: লিয়াকত আলী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোর মধ্যকার রাজনৈতিক সমীকরণের কারণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডাকার বিষয়ে অনিশ্চয়তা কাটছিল না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার ধানমন্ডিতে দলীয় নেতাদের নিয়ে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণে বৈঠক করেন। আওয়ামী লীগ পক্ষ থেকে জানানো হয়, শাসনতন্ত্র প্রণয়নে কোনো অগণতান্ত্রিক হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না।

৩. আসাদ পরবর্তী বিক্ষোভের ধারাবাহিকতা: ২০ জানুয়ারি আসাদ দিবস পালনের পর ২১ জানুয়ারি সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র ধর্মঘট এবং প্রতিবাদ সভা অব্যাহত থাকে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) চত্বরে ছাত্ররা পাকিস্তানি জান্তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।
সমসাময়িক বিশ্ব্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব (ইতিহাসের এই দিনে)
জন্ম মৃত্যু
সূত্র:
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্র:
  • বিভিন্ন পত্রপত্রিকা