১. ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন: ১৯৬৯ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের ভিত্তি কেঁপে উঠেছিল এবং শহীদ হয়েছিলেন মতিউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৪ জানুয়ারি সেই ত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করে সারা দেশে আন্দোলনের নতুন শপথ নেওয়া হয়। ঢাকা অভিমুখে বিশাল মিছিলে স্লোগান ওঠে— "জাগো জাগো বাঙালি জাগো", "বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো"।সমসাময়িক বিশ্ব্ব
২. বঙ্গবন্ধুর দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা: গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, "১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আমাদের পাথেয়। সাত কোটি মানুষের অধিকার আদায়ে আমরা যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।" তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথে কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না।৩. শাসনতন্ত্র কমিটির বৈঠক: আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের কার্যনির্বাহী কমিটি ঢাকায় শাসনতন্ত্রের খসড়া নিয়ে তাদের আলোচনা অব্যাহত রাখে। দলের অভ্যন্তরে ৬-দফার ভিত্তিতে একটি ফেডারেল কাঠামো গড়ে তোলার চূড়ান্ত রূপরেখা নিয়ে বিতর্ক ও বিশ্লেষণ চলে।