১. ভুট্টোর ঢাকা সফরের ঘোষণা: পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো ঘোষণা করেন যে, তিনি ২৭ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসবেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর ও শাসনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই দেখছিলেন।সমসাময়িক বিশ্ব্ব
২. বঙ্গবন্ধুর জনসভা ও সতর্কবার্তা: এদিন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে আওয়ামী লীগ নেতারা কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডিতে অবস্থান করে সারা দেশের আন্দোলনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন যাতে যেকোনো উস্কানির মুখে তারা শান্ত থেকে লক্ষ্য অর্জনে অবিচল থাকে।৩. সাংস্কৃতিক সংগ্রাম: ঢাকার বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীরা পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পথসভা ও নাটকের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করতে থাকেন। শিল্পীদের পক্ষ থেকে স্বাধিকার আন্দোলনের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে নতুন গান ও কবিতা প্রচার করা হয়।