১. বঙ্গবন্ধু-ভুট্টোর আলোচনায় ভুট্টোর অনমনীয়তা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জুলফিকার আলী ভুট্টোর মধ্যে দ্বিতীয় দিনের মতো আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে আলোচনায় ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্নে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতিবাচক ও কৌশলী অবস্থানে অচলাবস্থা তৈরি হয়। ভুট্টো নির্বাচনের ম্যান্ডেটকে সম্মান জানানোর পরিবর্তে ক্ষমতার ভাগাভাগির পুরোনো এজেন্ডায় অনড় থাকায় আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।সমসাময়িক বিশ্ব্ব২. আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি: বঙ্গবন্ধু দলের সিনিয়র নেতাদের সাথে জরুরি পরামর্শ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, আলোচনা চলতে পারে, কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেটকে অবজ্ঞা করে কোনো আপস বা সমাঝোতা করা সম্ভব নয়। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা ছিল—সজাগ থাকতে হবে এবং চূড়ান্ত পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
৩.জনগণের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ: আলোচনার নামে কালক্ষেপণের খবরে সাধারণ মানুষ ও ছাত্ররা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আজ রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে। ভুট্টোর এই সফরকে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অভিহিত করে স্লোগান ওঠে— "বাঙালির অধিকার, আদায় করো—করতে হবে"।