৩ জানুয়ারি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ (গ্রেগরীয় বর্ষাপঞ্জী)
১৯ পৌষ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ (বাংলা পঞ্জিকা)
৫ জিলকদ, ১৩৯০ হিজরী
রবিবার

সূর্যোদয়:
ঢাকা- ভোর ৬:৪৩ মিনিট (প্রায়)
সূর্যাস্ত: ঢাকা- সন্ধ্যা ৫:২৪ মিনিটে (প্রায়)

বাংলাদেশের -এর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ঘটনাবলি
১. ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান: ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

রেসকোর্স ময়দানে শপথ গ্রহণের আগে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সদস্যদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়। একই সভায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-নেতা এবং কামারুজ্জামান ও ইউসুফ আলী যথাক্রমে সাধারণ সম্পাদক ও চিপ হুইপ হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।  এতে ৪১৯ জন নবনির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য (আওয়ামী লীগ) শপথ গ্রহণ করেন। শপথের মূল বিষয়বস্তু ছিল-

২. গণজাগরণ ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন: জনসভায় গগনবিদারী স্লোগান আর দেশাত্মবোধক গানে মুখরিত ছিল রাজপথ। ছাত্র-জনতা 'জয় বাংলা' স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তুলেছিল। এই শপথ অনুষ্ঠানটি ছিল কার্যত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে এক প্রকার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ এবং বাঙালির স্বাধীনতার লক্ষ্য নির্ধারণের দিন।

রাজনৈতিক প্রভাব: এই শপথ অনুষ্ঠান পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের অবস্থানকে আরও সুসংহত করে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে রাজনৈতিক মেরুকরণকে তীব্রতর করে। জুলফিকার আলী ভুট্টোর ৬-দফা বিরোধিতার প্রেক্ষিতে এটি একটি শক্তিশালী জবাব হিসেবে বিবেচিত হয়।

সমসাময়িক বিশ্ব ঐতিহাসিক গুরুত্ব জন্ম মৃত্যু