১. ভুট্টোর ঢাকা সফর সমাপ্তি: গত তিন দিন ঢাকায় অবস্থান ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে বৈঠকের পর জুলফিকার আলী ভুট্টো আজ ঢাকা ত্যাগ করেন। তার এই সফর কোনো সুস্পষ্ট ফলাফল বা সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। আলোচনার টেবিলে পিপিপির অনমনীয় ও কৌশলী অবস্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর সংশয় ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।সমসাময়িক বিশ্ব্ব২. জনমত ও প্রতিরোধের প্রস্তুতি: ভুট্টোর ঢাকা ত্যাগের পরও রাজপথে ছাত্র ও জনতা ছিল সোচ্চার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর ছিল মূলত সময়ক্ষেপণের একটি কৌশল। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই অনুভূতি তীব্রতর হয়েছে যে, আলোচনার আড়ালে সামরিক শাসকরা এবং তাদের সহযোগী চক্র কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে নেতাকর্মীদের জনগণের সাথে সম্পৃক্ত থাকার এবং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার বার্তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
৩.রাজনৈতিক স্থবিরতা: আলোচনার সমাপ্তি ঘটলেও ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্নে পাকিস্তান সরকারের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তোলে। পিপিপির পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় পরবর্তী করণীয় নিয়ে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে বিশদ পর্যালোচনা শুরু হয়।