বিদ্যুৎ
electricity

পদার্থের ভিতরে সঞ্চালনযোগ্য ইলেক্ট্রনের আধিক্য বা প্রবাহকে বিদ্যুৎ বলা হয়।

পরমাণু স্তরে প্রতিটি বস্তুতে পাওয়া যায়, ইলেক্ট্রন, প্রোটন নিউট্রন। এর ভিতরে প্রোটন নিউট্রন পরমাণুতে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে। কিন্তু ইলেক্ট্রন পরমাণুর কেন্দ্রকে (প্রোটন বা প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত) ভিত্তি করে আবর্তিত হতে থাকে। প্রতিটি পরমাণুর রয়েছে নিজস্ব ইলেক্ট্রন সংখ্যা। পরমাণুতে ইলেক্ট্রনগুলো নানা কারণে বিচ্যুত হয়ে থাকে। এই বিচ্যুতির ফলে মুক্ত ইলেক্ট্রনের উদ্ভব হয়। এরাই মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনে মূল ভূমিকা রাখে।

পদার্থ বিজ্ঞানে ইলেক্ট্রনের শক্তিকে ঋণাত্মক বিবেচনা করা হয়। পদার্থ বিজ্ঞানে ইলেক্ট্রন যে শক্তি ধারণ করে তাকে বলা হয় আধান
(Charg)। এই আধানের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দ্বারা বিদ্যুতের প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়। যেমন- কোনো পরমাণু থেকে মুক্ত ইলেক্ট্রন চলে গেলে, ওই পরমাণুতে ধনাত্মক গুণসম্পন্ন প্রোটন কণার জন্য, পুরো পরমাণু ধনাত্মক মানে পৌঁছায়। আর যে পরমাণুতে ইলেক্ট্রন -এর আধিক্য ঘটে, সেখানে ঋণাত্মক মানে পৌঁছায়। ইলেক্ট্রন মুক্ত দশায় থাকার কারণে, সঞ্চালিত হয়। এই সঞ্চালন বা স্থানান্তরের কারণে দুই ধরনের বিদ্যুতের উদ্ভব হতে পারে। ধরন দুটি হলো-