বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম:
জানি নাই গো সাধন তোমার বলে কারে।
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী,
কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ২৯১ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
নিঃসংশয়
২,
জানি নাই গো সাধন তোমার বলে কারে
আমি
ধুলায় বসে খেলেছি এই
তোমার দ্বারে
॥
অবোধ আমি ছিলেম
বলে যেমন খুশি এলেম চলে,
ভয় করি নি তোমায় আমি অন্ধকারে
॥
তোমার
জ্ঞানী আমায় বলে কঠিন তিরস্কারে,
'পথ দিয়ে তুই আসিস নি যে,
ফিরে যা রে।'
ফেরার পন্থা
বন্ধ করে আপনি বাঁধো বাহুর ডোরে,
ওরা আমায় মিথ্যা ডাকে বারে বারে
- তথ্যানুসন্ধান
- ক. রচনাকাল ও স্থান: RBVBMS 229
পাণ্ডুলিপিতে গানটি রচনার তারিখ উল্লেখ আছে- '১ চৈত্র/১৩২০'।
উল্লেখ্য,
১৩২০ বঙ্গাব্দের
১০-১১ ফাল্গুন-এ
রবীন্দ্রনাথ
পাবনাতে অনুষ্ঠিত উত্তরবঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে যোগদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে ১৭ই
ফাল্গুন তিনি শান্তিনিকেতনে আসেন। পাবনা-ভ্রমণ এবং নানাবিধ বিতর্কের ফলে ইনি
অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরই ভিতরে তাঁর গান রচনা অব্যাহত ছিল। ১ চৈত্র থেকে ২৪ চৈত্র
পর্যন্ত তিনি শান্তিনিকেতনে কাটান। এই সময় তিনি মোট ১৯টি গান রচনা করেন। এর
ভিতরে তিনি ১
চৈত্র ১৩২০ বঙ্গাব্দ[সোমবার ১৬ মার্চ,
১৯১৩] এই গানটি রচনা করেন। তখন রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৫২ বৎসর ১১ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৫২ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
-
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি
- গ্রন্থ:
-
কাব্যগ্রন্থ
-
নবম খণ্ড
[ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩
বঙ্গাব্দ। গীতিমাল্য ৭২। পৃষ্ঠা: ৩৬৯]
[নমুনা]
-
গীতবিতান
-
দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩২১
বঙ্গাব্দে প্রকাশিত গীতিমাল্য থেকে গৃহীত। পৃষ্ঠা: ৪৪৫-৪৪৬]
[নমুনা
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ
[বিশ্বভারতী,
মাঘ ১৩৪৮। পর্যায়:
পূজা, উপবিভাগ:
নিঃসংশয়
২,
পৃষ্ঠা: ১১৮-১১৯] [নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ ), পর্যায়:
পূজা:
২৯১,
উপবিভাগ:
নিঃসংশয়২।
-
গীতিমাল্য
-
প্রথম সংস্করণ
[ইন্ডিয়ান
পাবলিশিং হাউস, ১৯ আষাঢ় ১৩২১ বঙ্গাব্দ। ৭২ সংখ্যক
গান। পৃষ্ঠা:
৯৩] [নমুনা]
- রবীন্দ্ররচনাবলী একাদশ
খণ্ড (বিশ্বভারতী)। পৃষ্ঠা ১৮৭।
-
গীতলেখা
প্রথম ভাগ [১৩২৪
বঙ্গাব্দ]। দিনেন্দ্রনাথ
ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
-
স্বরবিতান ঊনচত্বারিংশ
(৩৯) খণ্ডের ১৩-সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯।
[নমুনা]
-
প্রকাশের কালানুক্রম: গীতিমাল্য
প্রথম সংস্করণে
(১৯ আষাঢ় ১৩২১ বঙ্গাব্দ) অন্তর্ভুক্ত হয়ে গানটি প্রথম প্রকাশিত
হয়েছিল। এরপর
যে সকল গ্রন্থাদিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ
নবম খণ্ড
(১৩২৩
বঙ্গাব্দ) ও
গীতলেখা
প্রথম ভাগ (১৩২৪ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম সংস্করণে
১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'গীতিমাল্য' থেকে গৃহীত হয়েছিল।
এরপর
গীতবিতানের
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে।
এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের নিঃসংশয়
উপবিভাগের দ্বিতীয় গান হিসেবে। ১৩৭১
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ২৯১ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল।গানটি
একইভাবে অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত
হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
- গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
- স্বরলিপিকার:
দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। [স্বরলিপিটি গীতলেখা প্রথম ভাগ থেকে স্বরবিতান-৩৯
'এ
গৃহীত হয়েছে।]
- পর্যায়:
- বিষয়াঙ্গ:
পূজা
(নিঃসংশয়)।
- সুরাঙ্গ:
-
বাউল
- [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস,
ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা: ৫২]
- [রাগ-রাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত।
প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই
২০০১। পৃষ্ঠা: ৯২]
- রাগ:
- [স্বরবিতান-৩৯-এ
গানটির স্বরলিপিতে
নির্দিষ্ট
কোনো রাগের উল্লেখ নেই।]
- তাল:
-
দাদরা।
- [স্বরবিতান-৩৯-এ
গানটির স্বরলিপিতে
নির্দিষ্ট কোনো তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিতে ছন্দোবিভাজন দেখানো
হয়েছে৩।৩ ছন্দ। অর্থাৎ
তালটি 'দাদরা' তালে নিবদ্ধ।]
- [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ।
প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা:
৫২]
- [রাগ-রাগিণীর এলাকায়
রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য
সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা:
৯২।]
[দাদরা
তালে নিবদ্ধ গানের তালিকা]
- গ্রহস্বর: সা।
- লয়: মধ্য।