বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম:
জগতের
আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ৩১৭ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
আনন্দ
৯:
জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ।
ধন্য
হল,
ধন্য হল মানবজীবন
॥
নয়ন আমার রূপের
পুরে
সাধ মিটায়ে বেড়ায় ঘুরে,
শ্রবণ
আমার গভীর সুরে হয়েছে মগন
॥
তোমার যজ্ঞে দিয়েছ ভার, বাজাই আমি বাঁশি—
গানে গানে গেঁথে বেড়াই প্রাণের কান্না হাসি।
এখন সময় হয়েছে
কি ?
সভায় গিয়ে তোমায় দেখি'
জয়ধ্বনি শুনিয়ে যাব এ মোর নিবেদন
॥
RBVBMS 478
[নমুনা]
রচনাকাল ও স্থান: RBVBMS 478
পাণ্ডুলিপিতে গানাটি রচনার তারিখ ও স্থানের
উল্লেখ আছে-'৩০
আশ্বিন/শিলাইদহ'। উল্লেখ্য,
রবীন্দ্রনাথ
২২শে আশ্বিন কলকাতায় ফিরে আসেন এবং ২৩ আশ্বিন-এ শিলাইদহের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ৩০শে
আশ্বিন পর্যন্ত শিলাইদহে তিনি এই গানটি-সহ মোট ৩টি গান রচনা করেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৪৮ বৎসর ৬ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ:
- গান
-
দ্বিতীয় সংস্করণ
[ইন্ডিয়ান প্রেস। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
কেদারা-ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৩৬৩। [নমুনা]
গীতবিতান
-
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮।
গীতাঞ্জলি
(১৩১৭ বঙ্গাব্দ) থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ৩৪০]
[নমুনা]
-
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ
[বিশ্বভারতী, মাঘ
১৩৪৮। পর্যায়:
পূজা,
উপবিভাগ:
আনন্দ
৯,
পৃষ্ঠা: ১২৯-১৩০]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- অখণ্ড
সংস্করণ,
তৃতীয়
সংস্করণ
(বিশ্বভারতী,
কার্তিক ১৪১২), পর্যায়:
পূজা ৩১৭,
উপবিভাগ:
আনন্দ
৯ ।
গীতলিপি
পঞ্চম ভাগ
(১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৭ বঙ্গাব্দ)
। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-স্বরলিপি-সহ
মুদ্রিত হয়েছিল।
গীতাঞ্জলি
-
প্রথম সংস্করণ
[ ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস। ২০ ভাদ্র ১৩১৭।
৪৫
সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা: ৫৩]
[নমুনা]
- রবীন্দ্ররচনাবলী একাদশ খণ্ড
(বিশ্বভারতী)। গীতাঞ্জলি। ৪৪ গান।
পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭।
ধর্ম্মসঙ্গীত
[ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ৫৩]
[নমুনা]
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি [১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ।
ভীমরাও শাস্ত্রী-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত
হয়েছিল]
স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ
(৩৭) খণ্ডের ১৯ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬।
[নমুনা]
GITANJALI (Song offerings)।
নোবেল
পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতাঞ্জলি
(১৯১২
খ্রিষ্টাব্দ)। ১৬ সংখ্যক গান।
ইংরেজী
গীতাঞ্জলি 'তে
রবীন্দ্রনাথ-কৃত অনুবাদ :
I have had my
invitation to this world's festival, and thus my life has been blessed. My eyes
have seen and my ears have heard.
It was my part at this feast to play upon my instrument, and I have done all I
could.
Now, I ask, has the time come at last when I may go in and see thy face and
offer thee my my silent salutation ?
পত্রিকা:
-
তত্ত্ববোধিনী
(চৈত্র ১৩১৭)। সরফর্দ্দা একতালা। পৃষ্ঠা: ১৯৪ [নমুনা]
- দেবালয় (পৌষ
১৩১৬)। শিরোনাম নিবেদন। প্রথম পাতা। [নমুনা]
প্রকাশের কালানুক্রম:
গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল দেবালয় পত্রিকার 'পৌষ ১৩১৬' সংখ্যায়। এরপর গানটি যে সকল গ্রন্থাদিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
গীতাঞ্জলি
প্রথম সংস্করণ (ভাদ্র ১৩১৭ বঙ্গাব্দের) ও
গীতলিপি পঞ্চম ভাগ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ)। ১৩১৭ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘে অনুষ্ঠিত
৮১তম মাঘোৎসব-এর প্রাতঃকালীন অনুষ্ঠানে গানটি পরিবেশিত হয়েছিল। এই সূত্রে গানটি
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'চৈত্র ১৩১৭' সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর গানটি
ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ) ও
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি
(১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) -এ অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
এ সকল গ্রন্থাদিতে গানটি প্রকাশের পর
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম
সংস্করণে ১৩১৭ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত গীতাঞ্জলির প্রথম সংস্করণ থেকে গৃহীত হয়েছিল। এরপর গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে। এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা, পর্যায়ের
আনন্দ উপবিভাগের নবম গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের পূজা পর্যায়ের ৩১৭ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। গানটি একইভাবে অখণ্ড গীতবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।