যে ধ্রুবপদ দিয়েছ বাঁধি বিশ্বতানে
মিলাব তাই জীবনগানে ॥
গগনে তব বিমল নীল— হৃদয়ে লব তাহারি মিল,
শান্তিময়ী গভীর বাণী নীরব প্রাণে ॥
বাজায় উষা নিশীথকূলে যে গীতভাষা
সে ধ্বনি নিয়ে জাগিবে মোর নবীন আশা।
ফুলের মতো সহজ সুরে প্রভাত মম উঠিবে পূরে,
সন্ধ্যা মম সে সুরে যেন মরিতে জানে ॥
এরূপ ৮টি গানের সাথে ১৩৩৪ উল্লেখ আছে। এই বিচারে ধারণা করা যায়, গানটি ১৩৩৪
বঙ্গাব্দের ২রা মাঘ রচিত হয়েছিল।
এছাড়া বর্তমানে প্রচলিত গীতমালিকা প্রথম খণ্ডে (স্বরবিতান ৩০ খণ্ড)
'রচনাকাল/প্রকাশকাল' পত্রে গানটির এ রচনাকাল উল্লেখ করা হয় '২ মাঘ [১৩৩৪]'।
উল্লেখ্য, ১৩৩৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত এই গ্রন্থের প্রথম সংস্করণ'-এ গানটি ছিল না।
১৩৪৫ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণে এই গানটি ৪৭ সংখ্যক গান
হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
মূলত ১৩৩৪
বঙ্গাব্দের
মাঘ মাসের ১ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে থাকাকালে
এই গানটিসহ মোট ১২টি গান রচনা করেছিলেন। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৬৫ বৎসর ৯ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৬৬ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]