বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত
শিরোনাম: আরো চাই যে, আরো চাই গো- আরো যে চাই
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ৩৮৪ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
বিবিধ
১২:
আরো চাই যে, আরো চাই গো— আরো যে চাই।
ভাণ্ডারী যে সুধা আমায় বিতরে নাই ॥
সকালবেলার আলোয় ভরা এই-যে আকাশ বসুন্ধরা
এরে আমার
জীবন-মাঝে কুড়ানো চাই—
সকল ধন যে বাইরে আমার, ভিতরে নাই ॥
প্রাণের বীণায় আরো আঘাত, আরো যে চাই।
গুণীর পরশ
পেয়ে সে যে শিহরে নাই।
দিনরজনীর বাঁশি পূরে যে গান বাজে অসীম সুরে
তারে আমার প্রাণের তারে বাজানো চাই।
আপন গান যে দূরে তাহার, নিয়ড়ে নাই ॥
-
তথ্যসন্ধান
-
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
-
পাঠভেদ:
স্বরবিতান-৪০-এর ৮৩ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত পাঠভেদ অনুসারে
নিচে পাঠভেদ দেখানো হলো।
শেষ ছত্র : গুণীর পরশ পেয়ে সে যে শিহরে নাই : কথার অংশ, গীতলেখা ২ (১৩২৫)
গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
শেষ ছত্র : ভাণ্ডারী যে সুধা আমায় বিতরে নাই : স্বরলিপি, গীতলেখা ২
(১৩২৫)
- রচনাকাল ও স্থান:
RBVBMS 229
পাণ্ডুলিপিতে লিখিত গানটির সাথে রচনার তারিখ উল্লেখ আছে '৮ চৈত্র'।
উল্লেখ্য,
১৩২০ বঙ্গাব্দের
১০-১১ ফাল্গুন-এ
রবীন্দ্রনাথ
পাবনাতে অনুষ্ঠিত উত্তরবঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনে যোগদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে ১৭ই
ফাল্গুন তিনি শান্তিনিকেতনে আসেন। পাবনা-ভ্রমণ এবং নানাবিধ বিতর্কের ফলে
তিনি
অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরই ভিতরে তাঁর গান রচনা অব্যাহত ছিল। ১ চৈত্র থেকে ২৪ চৈত্র
পর্যন্ত তিনি শান্তিনিকেতনে কাটান। এই সময় তিনি মোট ১৯টি গান রচনা করেন। এর
ভিতরে তিনি ৮
চৈত্র ১৩২০ বঙ্গাব্দ
[শনিবার ২১ মার্চ
১৯১৩
খ্রিষ্টাব্দ]।
এই গানটি রচনা করেন। তখন রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৫২ বৎসর ১১ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের ৫২ বৎসর
অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
- প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
-
গ্রন্থ
-
কাব্যগ্রন্থ
-
নবম খণ্ড
[ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ। গীতিমাল্য ৭৮। পৃষ্ঠা ৩৭৫-৩৭৬]
[নমুনা]
-
গীতবিতান
-
গীতলেখা দ্বিতীয় ভাগ (১৩২৫ বঙ্গাব্দ)। দিনেন্দ্রনাথ
ঠাকুর-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
-
গীতিমাল্য
-
প্রথম সংস্করণ [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৯ আষাঢ় ১৩২১
বঙ্গাব্দ। ৭৮ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৯৯-১০০]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- রবীন্দ্ররচনাবলী একাদশ খণ্ড
(বিশ্বভারতী)। ৭৮ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ১৯০-৯১।
- প্রকাশের কালানুক্রম: গানটি প্রথম ১৩২১ বঙ্গাব্দে
গীতিমাল্য-এর প্রথম সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ
নবম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ) ও
গীতলেখা
দ্বিতীয় ভাগ (১৩২৫ বঙ্গাব্দ)।
এরপর
গীতবিতানের
দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
(১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে
প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে
পূজা পর্যায়ের
বিবিধ
উপবিভাগের ১২ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
এরপর ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা পর্যায়ের ৩৮৪ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
- সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
- স্বরলিপিকার:
- পর্যায়:
- বিষয়াঙ্গ:
পূজা
(বিবিধ)।
- সুরাঙ্গ:
- রাগ:
-
রামকেলী।
[রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা।
সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা:
৩৪।]
-
আশাবরী,
ভৈরব। [রাগ-রাগিণীর
এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা:
৬৪।]
- তাল:
কাহারবা।
- স্বরবিতান-৪০'এ গৃহীত গানটির
স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত
স্বরলিপিতে ছন্দোবিভাজন দেখানো হয়েছে, ৪।৪ ছন্দ ; অর্থাৎ
গানটি 'কাহারবা' তালে নিবদ্ধ।
- রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ।
প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা: ৩৪।
- রাগ-রাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার
চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১।
পৃষ্ঠা: ৬৪।
[কাহারবা
তালে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
- গ্রহস্বর:
পা।
- লয়: মধ্য।