বিষয়:রবীন্দ্রসঙ্গীত
শিরোনাম: মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ৩৯৪ এবং পূজা ও প্রার্থনা' পর্যায়ের ৬৮
সংখ্যক গান। উপবিভাগ
বিবিধ
২২:
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না ?
কেন মেঘ আসে হৃদয়-আকাশে, তোমারে দেখিতে দেয় না ?।
ক্ষণিক আলোকে আঁখির পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে
হারাই-হারাই সদা ভয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে ॥
কী করিলে বলো পাইব তোমারে, রাখিব আঁখিতে আঁখিতে।
এত প্রেম আমি কোথা পাব নাথ, তোমারে হৃদয়ে রাখিতে ?
আর কারো পানে চাহিব না আর, করিব হে আমি প্রাণপণ—
তুমি যদি বল এখনি করিব বিষয়বাসনা বিসর্জন ॥
- তথ্যসন্ধান
- পাঠভেদ: এই গানটির কীর্তনাঙ্গের রূপটি গীতবিতান পূজা ও প্রার্থনা পর্যায়ের ৬৮ সংখ্যক গান হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এই কীর্তনাঙ্গের পাঠটি পূজা পর্যায়ে ৩৯৪ সংখ্যক পাঠের পাঠান্তর মাত্র।
- রচনাকাল ও স্থান: গানটির সুনির্দিষ্ট রচনাকাল পাওয়া যায় না।
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'মাঘ ১২৯১ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় গানটি প্রকাশিত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, ১২৯১ বঙ্গব্দের ৯ই মাঘে অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মসম্মিলন উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ এ গানটি রচনা করেছিলেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ২৩ বৎসর ৯ মাস।
[২৩ বৎসর
অতিক্রান্ত বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
- প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ:
-
কাব্যগ্রন্থ
-
কাব্যগ্রন্থাবলী
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩ ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী কাফি-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৪৫৪]
[নমুনা]
-
গান
-
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
[আদি-ব্রহ্মসমাজ যন্ত্র, ১৩০০ বঙ্গাব্দ। গান সংখ্যা ৩২৪, রাগিণী কাফি -তাল একতাল, পৃষ্ঠা ৩২২-৩২৩]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
গীতবিতান
-
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
[বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। কাব্য-গ্রন্থাবলী
(১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল।
পৃষ্ঠা: ১৪০-১৪১]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী,মাঘ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ। পূজা,
বিবিধ
২২ । পৃষ্ঠা ১৫৯]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২]
পর্যায়:
পূজা ৩৯৪, উপবিভাগ:
বিবিধ ২২ এবং পূজা ও প্রার্থনা'
পর্যায়ের ৬৮ সংখ্যক গান।
-
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ১১৮-১১৯]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
- তৃতীয় ভাগ [মকর সংক্রান্তি ১৩১৩ বঙ্গাব্দ) কাফি-একতাল।
- পঞ্চম ভাগ (৯ বৈশাখ ১৩১৬) । কীর্তনের সুর-দাদরা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
-
রবিচ্ছায়া
[সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২। ব্রহ্মসঙ্গীত ৭০। রাগিণী কাফি-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ১৫৩।
[নমুনা]
-
রবীন্দ্রগ্রন্থাবলী
[হিতবাদী ১৩১১]। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী কাফি-তাল একতালা। গান
সংখ্যা ৩২৪। পৃষ্ঠা:
১০৩৪ [নমুনা
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ (২৩) খণ্ডের (ভাদ্র ১৪১৩) ১৬ সংখ্যক গান।
১ম স্বরলিপি, পৃষ্ঠা ৪৪-৪৫। ২য় স্বরলিপি, আখরযুক্ত, পৃষ্ঠা ৪৬-৪৯।
সুরান্তর আছে।
[নমুনা]
- পত্রিকা:
-
তত্ত্ববোধিনী [মাঘ ১৮০৬ শকাব্দ, ১২৯১ বঙ্গাব্দ। শিরোনাম- কাফি-একতালা । পৃষ্ঠা ২০৪।
[নমুনা]
- সঙ্গীত-প্রকাশিকা [আশ্বিন ১৩১১ বঙ্গাব্দ। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।]
- রেকর্ডসূত্র: ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে জেনোফোন রেকর্ড কোম্পানি এই গানের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। শিল্পী ছিলেন
মানদাসুন্দরী দাসী (প্রতিভা দাসী)। রেকর্ড নম্বর
x3-103021/x3-103016
পরবর্তী রেকর্ড নম্বর ছিল-
P 2150
।
- প্রকাশের কালানুক্রম: ১২৯১ বঙ্গাব্দের ৯ মাঘ [বুধ ২১ জানুয়ারি ১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দ], মহর্ষিভবনের বহিঃপ্রাঙ্গনে সকালে
তিন ব্রাহ্মসমাজর মিলিত উৎসব উপলক্ষে ব্রাহ্মসম্মিলন হয়। এই সম্মিলনে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল।
এরপর গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'মাঘ ১২৯১ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায়। এরপর যে সকল পত্রিকা ও গ্রন্থাদিতে
অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
রবিচ্ছায়া
(১২৯২ বঙ্গাব্দ),
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
(১৩০০ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
(১৩১০ বঙ্গাব্দ),
সঙ্গীত-প্রকাশিকা পত্রিকা 'আশ্বিন ১৩১১ বঙ্গাব্দ' সংখ্যা,
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি তৃতীয় ভাগ (১৩১৩ বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫ বঙ্গাব্দ),
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
গান দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ) ও
কাব্যগ্রন্থ
দশম খণ্ড
(১৩২৩
বঙ্গাব্দ)।
এরপর গানটি
গীতবিতানের
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) গানটি প্রথম
অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে
পূজা
পর্যায়ের
বিবিধ
উপবিভাগের ২২ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর ১৩৭১
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৯৪ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
- সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
- স্বরলিপিকার:
- স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ
(২৩) খণ্ডে (ভাদ্র ১৪১৩)
গানটির দুইটি স্বরলিপি আছে।
- প্রথম স্বরলিপি:
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী কর্তৃক সম্পাদিত।
- দ্বিতীয় স্বরলিপি:
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী কর্তৃক সম্পাদিত।
-
কাঙ্গালীচরণ সেন।
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ (২৩) খণ্ডের
সুরভেদ/ছন্দোভেদ অংশে ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
৩য় ভাগ (৯ বৈশাখ ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)
হতে কাঙ্গালীচরণ
সেন -কৃত স্বরলিপিটি সুরান্তর হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পৃষ্ঠা: ৮০-৮১।
- পর্যায়:
- বিষয়াঙ্গ:
পূজা (বিবিধ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
- সুরাঙ্গ:
কীর্তনাঙ্গ।
- রাগ: স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ
(২৩) খণ্ডে (ভাদ্র ১৪১৩)
গানটির দুইটি স্বরলিপি আছে।
-
প্রথম স্বরলিপি: রাগ-কাফি।
-
দ্বিতীয়
স্বরলিপি: আখরযুক্ত। কীর্তনের সুর।
- তাল:
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ
(২৩) খণ্ডে (ভাদ্র ১৪১৩)
গানটির দুইটি স্বরলিপি আছে।
- গ্রহস্বর:
- প্রথম
স্বরলিপি: সা।
-
দ্বিতীয় স্বরলিপি:
রা।
- লয়: