-তে। উল্লেখ্য আগে মনে করা হতো,
দুই লক্ষ বৎসর আগে আদি মানুষের উদ্ভব ঘটেছিল ইথিওপিয়া অঞ্চলে।
সেই আদি মানবগোষ্ঠীর সুসংগঠিত ভাষা বা সঙ্গীত ছিল না। তারা কৃষি কাজ জানতো না।
তাদের খাদ্য তালিকায় ছিল বনজ ফলমূল আর বন্যপ্রাণী। প্রকৃতপক্ষেই তারা ছিল প্রকৃতির
উপর নির্ভরশীল প্রকৃতির সন্তান। ক্রমে ক্রমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আফ্রিকা থেকে
মানুষ অন্যান্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার বৎসর আগে এরা ইথিওপিয়া
সংলগ্ন ইরিত্রিয়া, সুদান এবং মিশরের দিকে ছড়িয়ে পড়া শুরু করে। অন্য দলটি ইরিত্রিয়ার
ভিতর দিয়ে লোহিত সাগর পার হয়ে আফ্রিকা সংলগ্ন এশিয়ায় ইয়েমেন অঞ্চলে প্রবেশ করে।
এদের অগ্রগামী দল এই সময়ের ভিতর আরব উপদ্বীপ ও পারশ্য অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছেছিল ১
লক্ষ ২০ হাজার থাকে ১ লক্ষ বৎসরের ভিতরে। এরপর এদের কিছু মানুষ মঙ্গোলিয়া ঘুরে চীন
হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রবেশ করেছিল। অপর দলটি পারশ্য হয়ে ভারতবর্ষে প্রবেশ করে।
ভারতবর্ষে এরা প্রবেশ করে প্রায় প্রায় ৭৫-৬০ হাজার বৎসর আগে। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০-২০
হাজার বৎসরের মধ্যে এরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। এদের দ্বারাই সূচিত
হয়েছিল ভারতের প্রাচীন প্রস্তরযুগ। নৃ-বিজ্ঞানীরা এর নামকরণ করেছেন নেগ্রিটো।
এই যুগে নেগ্রিটোরা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো অমসৃণ পাথর। এদের নিদর্শন পাওয়া
গেছে পাকিস্তানের সোয়ান উপত্যাকায়, দক্ষিণ ভারতের মাদ্রাজ অঞ্চলে এবং ভারতের পশ্চিম
বাংলার মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে। নেগ্রিটোদের ভাষা কেমন ছিল তা জানার কোনো সুযোগ নেই।
এর পরবর্তী যে দল ভারতবর্ষে প্রবেশ করে, তাদেরকে প্রোটো-অস্ট্রালয়েড নামে অভিহিত
করা হয়। প্রোটো-অস্ট্রালয়েডরা ভারতবর্ষে কোন সময় প্রবেশ করেছিল, তা সুষ্পষ্টভাবে
জানা যায় না। ধারণা করা এরা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ২০-৬ হাজার বৎসর
পূর্বে। এদের আগমনের ফলে আদি নেগ্রিটো-রা অপ্রধান হয়ে পড়ে। হয়তো নেগ্রিটোরা
আত্মরক্ষায় অপারগ হয়ে ক্রমে ক্রমে উত্তর ভারতে চলে গিয়েছিল। কিম্বা এরা দক্ষিণের
দিকে সরে গিয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে আন্দামানে চলে গিয়েছিল। এই অনুমান করা হয়, কারণ
আন্দমানে নেগ্রিটোদের অন্ততঃ ১২টি গোষ্ঠী অস্তিত্ব এখনো রয়েছে।
ভারতের মূল-ভূখণ্ডে টিকে থাকা নেগ্রোটোদের সাথে প্রোটো-অস্ট্রালয়েডদের সংমিশ্রণের
ফলে, এরা নিজেদের জাতিগত স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য হারিয়েছিল। প্রোটো-অস্ট্রালয়েডদের
ভাষা ছিল। এদের ভাষা-পরিবারকে ভাষা বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষা
পরিবার। এই পরিবারে ভাষা উপ-পরিবার হলো- মুণ্ডা। বঙ্গদেশে এই ভাষা-উপরিবারের সদ্স্য
হলো সাঁওতালি, মুণ্ডারি, কোল ইত্যাদি। আদিবাসী সাঁওতালদের ভাষা আছে, গানও আছে। এরা
নাচতে জানে, বাদ্যও বাজাতে পারে। বাংলাভাষার আদি রূপ গড়ে উঠেছিল এই প্রাকৃতজনের
ভাষা চর্চার ভিতরে। বাংলা সঙ্গীতের আদি বিকাশ ঘটেছিল এদের মাধ্যমে।
ক্রমবিবর্তনের ধারায় আদিবাসী সাঁওতালদের সাথে বাঙালির
দৈহিক রূপ, ভাষাগত রূপের পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। তারপরে এই দুটি নিদর্শনের মিল
খুঁজে পাওয়া যায়। সাংস্কৃতিক ক্রমবিকাশের ধারায়, পূজা, ব্রত, সামাজিক অনুষ্ঠান এবং
সঙ্গীত উপস্থাপনায় সাঁওতালি প্রভাব বিশেষভাবে পাওয়া যায়। বিশেষ করে ঝুমুর গান-এর
মতো সাওতাঁলি গান ও নাচের কথা বললে, উৎসরে বিচারে সাঁওতালি সঙ্গীতধারাকে মনে করিয়ে
দেয়।
এরপরে ভারতবর্ষে প্রবেশ করেছিল দ্রাবিড় এবং মোঙ্গলীয়'রা। আর্যদের আসার আগে
নেগ্রিটো, প্রোটো-অস্ট্রালয়েড, দ্রাবিড় এবং মোঙ্গলীয়'রা ভারতবর্ষে একটি মিশ্র
জাতিসত্তার সৃষ্টি করেছিল। এদেরকে মোটা দাগে অনার্য বা প্রাকৃতজনগোষ্ঠী বলা হয়।
ভারতের পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারীদের বলা যেতে পারে পূর্ব-ভারতীয় প্রাকৃত জন। এদের ভিতর
নেগ্রিটো, প্রোটো-অস্ট্রালয়েড-দের প্রভাব বেশি। ধারণা করা যায়, রক্তের মিশ্রণের
পাশাপাশি এদের ভাষা ও সঙ্গীত নতুন রূপ লাভ করেছিল।
ভারতে সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠী হিসেবে অনুপ্রবেশ
করেছিল আর্য-ভাষাবাষীরা। এদের দ্বারা সৃষ্টি হয়েছিল শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং মিশ্র
ধারার লোকসঙ্গীত।
বৈদিক ও লোকগান
খ্রিষ্টপূর্ব ১৮০০-১৫০০ অব্দের ভিতরে আর্যরা ভারতবর্ষে আসা শুরু করেছিল। এরা ইরান
থেকে যে ভাষা ও ধর্মবিশ্বাস সাথে নিয়ে এসেছিল, পরবর্তী ৩০০ বৎসরের ভিতরে তার
পরিবর্তন ঘটলো। উত্তর-পশ্চিম ভারত দিয়ে এই আগত এই জনগোষ্ঠী খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০
অব্দের দিকে বঙ্গদেশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। খ্রিষ্ট-পূর্ব ১০০০ বৎসরের ভিতরে ভারতীয়
ইন্দো-ইরানিয়ান ভাষার পরিবর্তন ঘটে। এই সময়ের ভিতরে এই পরিবর্তিত ভাষার নমুনা
পাওয়া যায় ঋগ্বেদ। ধারণা করা হয়- ঋগ্বেদের শ্লোকগুলো রচিত হয়েছিল খ্রিষ্ট-পূর্ব
১২০০-১০০০ বৎসরের ভিতরে। এও ধারণা করা হয়, খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দের ভিতরে বেদের সকল
শ্লোক রচিত হয়েছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দের দিকে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন সকল শ্লোককে
চারটিভাগে ভাগ করে নাম দিলেন ঋক্, সাম, যজু, অথর্ব। বেদের এই ভাষাকে ভাষাবিজ্ঞানীর
নাম দিয়েছেন বৈদিক ভাষা। বৈদিক ঋষিরা মন্ত্রপাঠ করতেন কাব্যের ছন্দে। তাতে সুর ছিল,
ছন্দও ছিল। ছন্দের চাল ছিল কাব্যের মাত্রা ধরে। সুর ছিল মানবকণ্ঠের অবিভাজ্য ধ্বনির
উপর ভাসমান। গোড়াতে সে সুর ছিল একটি একঘেঁয়ে ধারায়। সে সুরকে স্বরের বিচারে বলতে
গেলে বলতে হয় এক স্বরস্থানের সুর। ঋষিরা এমন গানের নাম দিয়েছিলেন আর্চিক। পরে
স্বরস্থান পরিবর্তন করে তৈরি হলো তিনটি ধাপ। ধাপ তিনটি হলো
- উদাত্ত : স্বাভাবিক কণ্ঠস্বরের চেয়ে নিচু। একালের উদারার মতো।
- স্বরিত : স্বাভাবিক কণ্ঠস্বর-উচ্চারণের মতো। একালের মুদারার মতো।
- উদাত্ত : স্বাভাবিক কণ্ঠস্বরের চেয়ে উঁচু। একালের তারার মতো।
স্বরস্থানের ভিতরে ধীরে ধীরে একটি একটি করে সঙ্গীতোপযোগী শব্দ স্থান পেতো থাকলো।
এইভাবে একটি সঙ্গীতোপযোগী ধ্বনিকে ভারতীয় ঋষিরা নাম দিলেন স্বর। সঙ্গীতরত্নাকরের
মতে― 'শ্রুতিসমূহের অনন্তর অনুরণনাত্মক যে স্নিগ্ধ ধ্বনি উৎপন্ন হয়, যে ধ্বনির অপর
কোনও সহকারী কারণের অপেক্ষা না করিয়া স্বতই শ্রোতার চিত্তরঞ্জন করে তাহাকেই স্বর
বলে।' তবে বৈদিক সঙ্গীতজ্ঞরা সাতটি শুদ্ধ স্বরের নামককরণ করেছিলেন- প্রথম, দ্বিতীয়,
তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ক্রুষ্ট ও অতিস্বার্য। সেকালের লৌকিক গানে এই স্বরগুলো ভিন্ন
ভিন্ন নামে প্রকাশ পেয়েছিল। এই লৌকিক স্বরগুলো হলোহলো― ষড়্জ, ঋষভ, গান্ধার, মধ্যম
পঞ্চম, ধৈবত ও নিষাদ। যাজ্ঞবল্ক্য ও অন্যান্য ঋষিদের মতে অনুদাত্ত থেকে ঋষভ ও ধৈবত
উদাত্ত থেকে নিষাদ ও গান্ধার স্বরিত থেকে ষড়্জ, মধ্যম ও পঞ্চমের সৃষ্টি হয়েছিল।
বৈদিকযুগের পরে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিকাশ ঘটেছিল গান্ধর্ব গানের ভিতর দিয়ে। বৈদিক
যুগের পরে- মহাকাব্যিক অধ্যায় (রামায়ণ মহাভারত), পৌরাণিক গ্রন্থাদি (মার্কেণ্ডেয়
পুরাণ, বায়ু পুরাণ, অগ্নিপুরাণ ইত্যাদ) ও শাস্ত্রীয় গ্রন্থাদিতে (নারদীয় শিক্ষা,
নাট্যশাস্ত্র, বৃহদ্দেশী ইত্যাদি) গান্ধর্ব গানের পরিচয় পাওয়া যায়। এসব গ্রন্থাদির
অনুসরণে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংঙ্গীত বিকাশের যে ক্রমধারা পাওয়া যায়, তা হলো-
- বৈদিক যুগ (১২০০-৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ): অনুদাত্ত, স্বরিত ও উদাত্ত নামক
স্বরস্থানের ধারনা। এই ৩টি স্বরস্থান থেকে উদ্ভব হয়েছিল সাতটি শুদ্ধ স্বর।
- মহাকাব্যিক যুগ (৬০০-৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)। রামায়ণ ও মহাভারতের সময়ের
শাস্ত্রীয় গান। এই সময়ে গান্ধার্ব বা মার্গীয় গানের বিকাশ ঘটেছিল।
- পৌরণিক যুগ (খ্রিষ্টীয় ১ম থেকে ১০ম শতাব্দী)। এই সময়ের ভিতরে শাস্ত্রীয়
সঙ্গীয় বিকাশ ঘটেছিল মূলত গান্ধর্ব গানের মধ্য দিয়ে। এই সময়ের ভিতরে কিছু
গীতি-বাদ্য-নৃত্য-বিষয়ক গ্রন্থাদি প্রণীত হয়েছিল।
এই তিনটি অধ্যায় অনুসরণ করলে দেখা যায়, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিকাশ ঘটেছিল যে
ক্রমাধারায়, তা হলো-
- স্বর, গ্রাম, মূর্চ্ছনা, তান এবং ধরনের বর্ণালঙ্কার এবং সুরালঙ্কার
- সুরের ব্যবহারিক রূপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, গ্রামরাগ, জাতিগান ও
রাগ-রাগিণী। এর ব্যবহার ছিল কণ্ঠসঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রে (বেণু ও বীণা)।
- বাণীযুক্ত সঙ্গীতে গড়ে উঠছিল জাতিগান এবং প্রবন্ধ গান।
খ্রিষ্টীয় ৫ম শতাব্দীর দিকে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলেরর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের
বাইরে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক ভাষার বিকাশ ঘটেছিল। সেই সাথে এই সব অঞ্চলে
শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তোয়াক্কা না করে, আঞ্চল ভিত্তিক লোকগানের বিকাশ ঘটেছিল। বিভিন্ন
সামবেদ থেকে পৌরাণিক যুগের গ্রন্থাদি অনুসরণে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ক্রমবিবর্তনের
ধারা সম্পর্কে ধারণা করা গেলেও, ভারতের লোকগানসমূহের ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে
কোনও ধারণা পাওয়া যায় না। কারণ লোকগানসমূহের কোনো লিখিত গ্রন্থাদি পাওয়া যায় না।
বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বাংলা গানের বিষয়াঙ্গ ও সুরাঙ্গের সূত্রে বাংলা গানের বিকাশের
ঘটেছিল। এই সূত্রেই তৈরি হয়েছিল- বাংলা গানের আদি গান 'চর্যাগীতি'।
সূত্র :
চর্যাগীতি পদাবলী,
সুকুমার সেন, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ১৯৯৫
চর্যাগীতি পরিক্রমা। দে'জ সংস্করণ। জানুয়ারি ২০০৫।
চর্যাগীতিকোষ। নীলরতন সেন সম্পাদিত। সাহিত্যলোক। কলকাতা। জানুয়ারি ২০০১।
বড়ুচণ্ডীদাসের কাব্য । মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনোয়ার পাশা
সম্পাদিত। স্টুডেন্ট ওয়েজ। আশ্বিন ১৩৮৮ সন।
বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত। ডঃ মুহম্মদ শহীদউল্লাহ। মাওলা ব্রাদার্স। জুলাই ১৯৯৮
বাংলা সাহিত্যের কথা। ডঃ মুহম্মদ শহীদউল্লাহ। মাওলা ব্রাদার্স।
ভারতীয় সঙ্গীতকোষ।
শ্রীবিমলাকান্ত রায়চৌধুরী। কথাশিল্পী প্রকাশ। বৈশাখ ১৩৭২
ভারতীয় সঙ্গীতের ইতিহাস
(তৃতীয় ভাগ)। স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ। রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠ। শ্রাবণ ১৩৯৪।
বায়ুপুরাণ। পঞ্চানন তরজকরত্ন সম্পাদিত। নবভাত পাবলিশার্স,
কলকাতা। দ্বিতীয় নবভারত সংস্করণ। আষাঢ় ১৪১৮।
মার্কেণ্ডে পুরাণ। মহেশচন্দ্র পাল-কর্তৃতক সঙ্কলিত ও প্রকাশিত। উপনিষৎ কার্যালয়,
কলকাতা। মাঘ ১৮১২ শকাব্দ।
সাধারণ ভাষা বিজ্ঞান ও বাংলা ভাষা। ডঃ রামেশ্বর শ।
সামবেদ সংহিতা। অনুবাদ ও সম্পাদনা: শ্রীপরিতোষ
ঠাকুর। হরফ প্রকাশনী, কলিকাতা। অষ্টম মুদ্রণ, ২০ জুলাই ২০০১
হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা
বৌদ্ধ গান ও দোঁহা, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বঙ্গীয় সাহিত্য
পরিষদ, কলকাতা, ১৩২৩
http://en.wikipedia.org/wiki/Indo-Aryan_languages
http://en.wikipedia.org/wiki/Magadhi_Prakrit