আভোগী কানাড়া
সমার্থক নাম: আভোগী
উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতি এবং দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতি এই নামে রাগ পাওয়া যায়।

উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে আভোগী
বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখণ্ডে এই রাগটিকে দক্ষিণী
উত্তর ভারতে এই রাগের কমবেশী প্রচলন আছে।
আরোহণ: স র জ্ঞ, ম ধ র্স
অবরোহণ: র্স ধ ম জ্ঞ, ম জ্ঞ র স
ঠাট: কাফি  
জাতি: ঔড়ব-ঔড়ব (পঞ্চম ও নিষাদ বর্জিত)।
বাদীস্বর: ম
সমবাদী স্বর: স
অঙ্গপূর্বাঙ্গ।
সময়:রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর।
পকড় : ম ধ র্স, ধ ম জ্ঞ ম র স।
অধিকাংশের মতে আভোগী এবং আভোগী কানাড়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। কিন্তু কেউ কেউ এ কথাও বলেন যে, আভোগীতে প্রয়োজনে ম জ্ঞ র স ব্যবহার করা যায়, কিন্তু এই স্বরগুলো আবশ্যই ব্যবহার করতে হয়।
কানাড়া অঙ্গের বলে এই রাগে গান্ধারের আন্দোলন করা হয়। মধ্য ও মন্দ্র সপ্তকে এই রাগের বিচরণ সর্বাধিক। রাগটি গম্ভীর প্রকৃতির।

দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতি আভোগী
দক্ষিণ ভারতে এই এই রাগটি খরহরপ্রিয়া মেলের অন্তর্গত। এই মেলের স্বর সারিগিমা পাধিনির্স। এর সমতূল্য উত্তর ভারতীয় ঠাট
কাফি


তথ্যসূত্র: