দোহ্যা
প্রাচীন ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে
বিভাষা
রাগ বিশেষ।
খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয়-তৃতীয় শতাব্দীতে ভরতের পুত্র ও শিষ্য শার্দুল এই রাগকে
টক্ক
ভাষারাগের
বিভাষা রাগ
হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে মতঙ্গের রচিত বৃহদ্দেশী গ্রন্থে [পৃষ্ঠা: ২৪১] শার্দুলের উদ্ধৃতিতে এই রাগের বিবরণ যুক্ত করেছিলেন।
বৃহদ্দেশীতে বর্ণিত দোহ্যা বিভাষা
রাগের পরিচিতি
ভাষারাগ:
টক্ক
রাগ প্রকৃতি:
বিভাষা রাগ
আরোহণ
: স, গ, ম, ধ, কাকলী নিষাদ, র্সা
আরোহণ: র্সা, কাকলী নিষাদ, ধ, ম, গ,
স
জাতি:
ঔড়ব- ঔড়ব (পঞ্চম ও ঋষভ বর্জিত)
অংশস্বর:
গান্ধার
ন্যাস স্বর: ষড়্জ
বৃহদ্দেশীতে বর্ণিত আক্ষিপ্তিকা নিচে তুলে ধরা
হলো।
গা সা নী ধা ধা নী সা নী সা ধা ধা মা মা ধা নী সা মা
গা মা ধা ধা মা গা মা নী সা সা
[ দোহ্যা ॥
তথ্যসূত্র:
- বৃহদ্দেশী। মতঙ্গ। সম্পাদনা রাজ্যেশ্বর মিত্র। সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার।
১৯৯২। অধ্যায়: রাগ। পৃষ্ঠা: বৃহদ্দেশী। মতঙ্গ। সম্পাদনা রাজ্যেশ্বর
মিত্র। সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার। ১৯৯২। অধ্যায়: রাগ।২৪১
- সঙ্গীতরত্নাকর। সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় অনূদিত। রবীন্দ্রভারতী
বিশ্ববিদ্যালয়। ১৪০৮