এটি ইহুদি ধর্মের ইতিহাসের বড় পরিবর্তন। কারণ এর পরে মন্দির-কেন্দ্রিক ধর্ম থেকে সিনাগগ ও প্রার্থনা-কেন্দ্রিক রাব্বিনিক ইহুদিধর্মে রূপান্তর। হিব্রুতে এটিকে
בית כנסת (Beit Knesset , অর্থ "সমাবেশের ঘর") বলা হয়, গ্রিক থেকে এসেছে "synagogue" যার অর্থ "একত্রিত হওয়ার স্থান"। ইয়িদ্দিশে এটিকে שול (Shul , অর্থ "স্কুল") বলা হয়, কারণ এখানে তোরাহ (তাওরাত ) অধ্যয়নও হয়।সিনগগের ইতিহাস
ইহুদিদের মন্দির ভিত্তিক ধর্মাচরণের শুরুতে প্রথম মন্দির যুগের সূচনা
হয়েছিল।
৫৮৬ খ্রিষ্টাব্দে ব্যাবিলনীয় রাজা নেবুকাদনেজার দ্বিতীয় জেরুশালেম জয় করেন।
এই সময় তাঁর বাহিনী মন্দির ধ্বংস করেন এবং ইহুদিদের ব্যাবিলনে নির্বাসিত করেন।
এই সময় মন্দির না থাকায় ইহুদিরা প্রার্থনা, তোরাহ অধ্যয়ন ও সমাবেশের জন্য স্থান তৈরি করে।
এটি ছিল সিনাগগের সূচনা পর্ব। খ্রিষ্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে মিশরে সিনাগগ-এর
প্রাথমিক কার্যক্রম সক্রিয় ছিল। দ্বিতীয় মন্দির যুগে মন্দিরের পাশাপাশি সিনাগগে
ধর্মাচারণ হতো।
৭০ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম ইহুদি-রোমান যুদ্ধে রোমান সম্রাট টাইটাস জেরুশালেম অবরোধ করেন। মন্দির ধ্বংস
ও শহর ধ্বংস হয়। এটি ইহুদি ইতিহাসের বড় পরিবর্তন। মন্দির-কেন্দ্রিক ধর্ম থেকে সিনাগগ ও প্রার্থনা-কেন্দ্রিক রাব্বিনিক ইহুদিধর্মে রূপান্তর। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার সিনাগগ, বিভিন্ন শাখা অনুসারে ভিন্ন
ভিন্ন পদ্ধতিতে সক্রিয় রয়েছে।
সিনাগগের বিন্যাস