বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম: তার অন্ত নাই গো যে আনন্দে গড়া আমার অঙ্গ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
তার       অন্ত নাই গো যে আনন্দে গড়া আমার অঙ্গ।
তার       অণু-পরমাণু পেল কত আলোর সঙ্গ,
                ও তার অন্ত নাই গো নাই।
তারে      মোহনমন্ত্র দিয়ে গেছে কত ফুলের গন্ধ,
তারে      দোলা দিয়ে দুলিয়ে গেছে কত ঢেউয়ের ছন্দ,
               ও তার অন্ত নাই গো নাই।
আছে      কত সুরের সোহাগ যে তার স্তরে স্তরে লগ্ন,
সে যে     কত রঙের রসধারায় কতই হল মগ্ন,
               ও তার অন্ত নাই গো নাই।
কত        শুকতারা যে স্বপ্নে তাহার রেখে গেছে স্পর্শ,
কত        বসন্ত যে ঢেলেছে তায় অকারণের হর্ষ,
               ও তার অন্ত নাই গো নাই।
সে যে     প্রাণ পেয়েছে পান করে যুগ-যুগান্তরের স্তন্য—
ভুবন      কত তীর্থজলের ধারায় করেছে তায় ধন্য,
               ও তার অন্ত নাই গো নাই।
সে যে     সঙ্গিনী মোর, আমারে সে দিয়েছে বরমাল্য।
আমি      ধন্য, সে মোর অঙ্গনে যে কত প্রদীপ জ্বালিল—
               ও তার অন্ত নাই গো নাই।