রচনাকাল ও স্থান: এই গানটির রচনাকাল সম্পর্কে যথার্থ তথ্য পাওয়া যায়
না। প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর 'গীতবিতান কালানুক্রমিক সূচী' গ্রন্থে লিখেছেন- 'কনিষ্ঠ পুত্র
শমীন্দ্রের মৃত্যু হয় ১৩১৪ অগ্রহায়ণ মাসে। সম্ভবত তার পরেই গানটি রচিত।'
উল্লেখ্য তিনি এই গানটি সহ 'প্রচণ্ড গর্জনে আসিল একি
দুর্দিন [পূজা-২২৬] [তথ্য]
-এ দুটি গানের রচনাকাল সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে এই উক্তিটি করেন। এই বিচারে-
গানটি রবীন্দ্রনাথের ৪৬ বৎসর ৭ মাস বয়সের রচনা হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।
স্থান-কলকাতা। প্রশান্তকুমার পাল- তাঁর রবিজীবনী পঞ্চম খণ্ডে প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়-এর এই
অনুমান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে লিখেছেন- 'শমীন্দ্রনাথের মৃত্যর পরে দিন-দশেক
কলকাতা-বাসের সময়ে এরূপ গান ভাঙার সুযোগ ছিল বলে মনে হয় না।' প্রশান্তকুমার পাল এই
গানটির রচনাকাল অনুমান করেছেন ১৩১৪ বঙ্গাব্দের মাঘোৎসবের প্রস্তুতিকালে অর্থাৎ
আশ্বিন-কার্তিক মাসের দিকে।
[৪৬
বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
এ সকল গ্রন্থাদির পরে ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে গানটি
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা পর্যায়ের উপবিভাগ আনন্দ-এর ১৪ সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের পূজা পর্যায়ের ৩২২ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। গানটি একইভাবে অখণ্ড গীতবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।