বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম: আঁধার রজনী পোহালো
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক ১৪১২ )-এর
পূজা
পর্যায়ের ৩৩০ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
আনন্দ
২২:
আঁধার রজনী পোহালো,
জগত পূরিল পুলকে।
বিমল প্রভাতকিরণে মিলিল দ্যুলোকে ভূলোকে
॥
জগত নয়ন তুলিয়া হৃদয়দুয়ার খুলিয়া
হেরিছে হৃদয়নাথেরে আপন হৃদয়-আলোকে
॥
প্রেমমুখহাসি তাঁহারি
পড়িছে ধরার আননে—
কুসুম বিকশি উঠিছে,
সমীর বহিছে কাননে।
সুধীরে আঁধার টুটিছে,
দশ দিক ফুটে উঠিছে—
জননীর কোলে যেন রে জাগিছে বালিকা বালকে
॥
জগত যে দিকে চাহিছে সে দিকে দেখিনু চাহিয়া,
হেরি সে অসীম মাধুরী হৃদয় উঠিছে গাহিয়া।
নবীন আলোকে ভাতিছে,
নবীন আশায় মাতিছে,
নবীন জীবন লভিয়া জয়-জয় উঠে ত্রিলোকে
॥
RBVBMS_003]
[নমুনা]
রচনাকাল ও স্থান:
১২৯১ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে তত্ত্ববোধনী পত্রিকায় এই গানটি-সহ মোট ১০টি গান প্রকাশিত হয়েছিল। এই
গানগুলোর রচনাকাল সম্পর্কে কিছু জানা যায় না।
ধারণা করা হয়, এই গানটি পত্রিকা প্রকাশের কিছু আগে অর্থাৎ কার্তিক মাসে
রচিত হয়েছিল। এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ২৩ বৎসর।
[রবীন্দ্রনাথের
২৩
বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
পত্রিকা:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'অগ্রহায়ণ ১২৯১ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় গানটি প্রথম
প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
রবিচ্ছায়া
(১২৯২ বঙ্গাব্দ),
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
(১৩০০ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
(১৩১০ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থাবলী
(১৩০৩
বঙ্গাব্দ),
গান
[
প্রথম সংস্করণ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ)]
ও
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ) ও
কাব্যগ্রন্থ
দশম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ)
এ সকল
গ্রন্থাদির পরে
১৩৩৮ বঙ্গাব্দে গানটি
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান-এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল পূজা পর্যায়ের
উপবিভাগ
আনন্দ-এর
২২ সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৩০ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল।
সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী: