বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম:
হবে জয়,
হবে জয়,
হবে জয় রে
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক
১৪১২ )-এর পূজা
পর্যায়ের ৩৭৪ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
বিবিধ
২:
হবে জয়, হবে জয়, হবে জয় রে
ওহে বীর, ওরে নির্ভয় ॥
জয়ী প্রাণ, চিরপ্রাণ, জয়ী রে আনন্দগান,
জয়ী প্রেম, জয়ী ক্ষেম, জয়ী জ্যোতির্ময় রে ॥
এ আঁধার হবে ক্ষয়, হবে ক্ষয় রে,
ওহে বীর, হে নির্ভয়।
ছাড়ো ঘুম, মেলো চোখ, অবসাদ দূর হোক,
আশার অরুণালোক হোক অভ্যুদয় রে ॥
- তথ্যসন্ধান
-
রচনাকাল ও স্থান:
রবীন্দ্রনাথ ফাল্গুনী নাটক শেষ করেছিলেন
ফাল্গুন মাসে। এর ভিতরে ১৬টি গান তিনি সুরুলে থাকাকালে
RBVBMS
131
-পাণ্ডুলিপিতে লিখেছিলেন।
প্রমথ চৌধুরী
সম্পাদিতর 'সবুজপত্র' পত্রিকার 'চৈত্র ১৩২১ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায় ফাল্গুনী নাটকটি মুদ্রিত হয়েছিল। এর প্রথমাংশে ছিল 'বসন্তের পালা'। বসন্তের পালাতে মোট ১২টি গান ১, ২ ও ৩ বিভাগীয় শিরোনামে পরপর মুদ্রিত হয়েছিল। এই
নাটকের উল্লিখিত ১৬টি গান ছাড়া নতুন ১৩টি গান যুক্ত হয়েছিল।
এই নতুন গানগুলো রচনার সুনির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান পাওয়া যায় না।
যেহেতু 'সবুজপত্র' পত্রিকার 'চৈত্র ১৩২১ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায় প্রকাশিত 'ফাল্গুনী' নাটকে গানগুলো স্থান
পেয়েছিল। এই সূত্রে ধারণা করা হয়, এই গানগুলো ফাল্গুনী নাটকের জন্য ফাল্গুন মাসেই
রচিত হয়েছিল।
এই গানটিও এই নাটকের অন্তর্ভূক্ত; তবে এর কোনো
পাণ্ডুলিপির
পাঠ
পাওয়া যায়না।
এই
গানগুলো রচনার
সময়
রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৫৩ বৎসর
১০ মাস বয়সের রচনা।
[৫৩ বৎসর
অতিক্রান্ত বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
-
প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি
-
গ্রন্থ:
-
ফাল্গুনী
-
প্রথম
সংস্করণের
[ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২২ বঙ্গাব্দ।
১৯১৬
খ্রিষ্টাব্দ।
চতুর্থ দৃশ্য। বাউলের গান।
পৃষ্ঠা ৭৮]
[নমুনা]
-
রবীন্দ্ররচনাবলী দ্বাদশ খণ্ড (বিশ্বভারতী)।
পৃষ্ঠা ১৪০।
-
স্বরবিতান সপ্তম (৭,
ফাল্গুনী)
খণ্ডে (কার্তিক ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) ২৮ সংখ্যক গান।
পৃষ্ঠা: ৮৭-৮৮। [নমুনা]
-
পত্রিকা:
-
সবুজপত্র [চৈত্র
১৩২১ বঙ্গাব্দ। ফাল্গুনী। ৪ (চতুর্থ দৃশ্য)। বাউলের গান।
পৃষ্ঠা ৮৫৬-৮৫৭]
[নমুনা
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
-
প্রকাশের কালানুক্রম: গানটি প্রথম
প্রকাশিত হয়েছিল
সবুজপত্র
পত্রিকার
'চৈত্র
১৩২১ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায় প্রকাশিত 'ফাল্গুনী' নাটকের সাথে। এরপর
১৩২২ বঙ্গাব্দে
ফাল্গুনী
নাটকের
প্রথম
সংস্করণের
সাথে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল।
১৩৩৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
ঋতু-উৎসব
নামক নাট্যসংকলনে ফাল্গুনী নাটকের সাথে প্রকাশিত হয়েছিল।
এরপর
গানটি ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
গীতবিতানের
দ্বিতীয় খণ্ড প্রথম সংস্করণে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে
প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে
পূজা
পর্যায়ের
বিবিধ
উপবিভাগের
২
সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে
প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৭৪
সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
- সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী
- স্বরলিপিকার: স্বরবিতান সপ্তম
(৭,
ফাল্গুনী) খণ্ডে স্বরলিপিকারের নাম উল্লেখ নেই।
প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর
গীতবিতান কালানুক্রমিক
সূচী’
গ্রন্থে স্বরলিপিকার হিসাবে
ইন্দিরাদেবী চৌধুরাণীর
নাম উল্লেখ
করেছেন।
- পর্যায়:
- বিষয়াঙ্গ:
পূজা (বিবিধ)।
- সুরাঙ্গ:
- রাগ:
ভৈরবী।
- রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ।
প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা: ৮৩।
- রাগ-রাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার
চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১।
পৃষ্ঠা:
১৪৩।
[ভৈরবী
রাগে নিবদ্ধ
গানের তালিকা]
- তাল:
-
ঝাঁপতাল।
-
স্বরবিতান সপ্তম
(৭,
ফাল্গুনী) খণ্ডে
গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত
স্বরলিপিতে ছন্দোবিভাজন দেখানো হয়েছে,
২।৩।২।৩
ছন্দ। অর্থাৎ গানটি 'ঝাঁপতাল'
তালে নিবদ্ধ।
- রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ।
প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬ । পৃষ্ঠা: ৮৩।
- রাগ-রাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার
চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই
২০০১। পৃষ্ঠা:
১৪৩।
[ঝাঁপতাল
তালে নিবদ্ধ গানের তালিকা]
- গ্রহস্বর:
সা।
- লয়:
মধ্য।