খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয়-তৃতীয় শতাব্দীতে ভরতের পুত্র ও শিষ্য শার্দুল এই রাগকে
হিন্দোল
ভাষারাগের
বিভাষা রাগ
হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে মতঙ্গের রচিত বৃহদ্দেশী গ্রন্থে [পৃষ্ঠা: ২৪৩] শার্দুলের উদ্ধৃতিতে এই রাগের বিবরণ যুক্ত করেছিলেন।
বৃহদ্দেশীতে এই রাগের যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা হলো-
পিঞ্জরী ভাষারাগের পরিচিতি
ভাষারাগ:
হিন্দোল
রাগ প্রকৃতি:
বিভাষা রাগ,
দেশাখ্য (দ্রাবিড় দেশের রাগ)
জাতি: সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ
[নিষাদ বর্জিত হয়ে ষাড়ব অবস্থায় দেখা যায়]
অংশস্বর:
গান্ধার
ন্যাস স্বর:
ষড়্জ
বৃহদ্দেশী থেকে এর আলাপ দেওয়া হলো-

তথ্যসূত্র:
- বৃহদ্দেশী। মতঙ্গ। সম্পাদনা রাজ্যেশ্বর মিত্র। সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার।
১৯৯২।
- সঙ্গীতরত্নাকর। শার্ঙ্গদেব। সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
অনূদিত। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। ২২ শ্রাবণ ১৪০৮।