এম্ব্রায়োফাইটা
Embryophyta

জীববিজ্ঞানের ভিরিডিপ্ল্যান্টে  রাজ্যের একটি থাক বিশেষ।  ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে এই থাকের নামকরণ করেছিলেন এঙ্গ্‌লের। এই থাকের অন্তর্গত প্রজাতিগুলোর সাধারণ স্থলজ উদ্ভিদ।

এম্ব্রায়োফাইটার বৈশিষ্ট্য
১. ভ্রূণ সৃষ্টি: এদের স্ত্রী জননাঙ্গের ভেতরে নিষেক ঘটে এবং সেখানেই জাইগোট থেকে একটি বহুকোষী কচি ভ্রূণ তৈরি হয়। শৈবালদের ক্ষেত্রে সাধারণত জাইগোট সরাসরি বাইরে চলে আসে, কিন্তু এখানে ভ্রূণটি মাতৃ-উদ্ভিদ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।

২. কিউটিকল ও স্টোমাটা : স্থলজ পরিবেশে উদ্ভিদের পানি ধরে রাখা সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল । তাই এম্ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের দেহের বাইরে একটি মোমজাতীয় আস্তরণ তৈরি হয়েছিল। একে বলা হয় কিউটিকল। এটি পানি বাষ্পীভূত হতে বাধা দেয়। আবার বাতাস থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড নেওয়ার জন্য এদের পাতায় বা দেহে ছোট ছোট ছিদ্র তৈরি হয়েছিল। এগুলোকে বলা হয়  স্টোমাটা ।

৩. বহু-কোষী জননাঙ্গ এদের জননাঙ্গগুলো বহু-কোষী এবং এদের চারদিকে একটি বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে যা ভেতরের জননকোষগুলোকে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।
৪. স্পোরোপোলেনিন এদের রেণু বা স্পোরের চারদিকে স্পোরোপোলেনিন নামক পৃথিবীর অন্যতম শক্ত প্রাকৃতিক উপাদানের আবরণ থাকে। এর ফলে বাতাস বা মাটির প্রতিকূল পরিবেশেও স্পোরগুলো নষ্ট হয় না এবং বহু দূরে ছড়িয়ে যেতে পারে।
৫. জীবনচক্র এদের জীবনচক্রে দুটি স্পষ্ট দশা দেখা যায় । এর একটি হলো হ্যাপ্লয়েড দশা (গ্যামেটোফাইট) এবং অন্যটি ডিপ্লয়েড দশা (স্পোরোফাইট)। স্থলজ উদ্ভিদে সাধারণত স্পোরোফাইট দশাটিই বেশি উন্নত এবং দৃশ্যমান হয় (যেমন একটি আম গাছ)।
ক্রমবিবর্তন
৫১.৫-৪৭ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্ট্রেপ্টোফাইটা থেকে শৈবাল অংশ পৃথক হয়ে গিয়েছিল এবং অবশিষ্ট অংশ থেকে স্থলজ উদ্বিদের বিকাশ ঘটেছিল।  এই কারণে স্ট্রেপ্টোফাইটা -কে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। ভাগ দুটি হলো-