বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
শিরোনাম:
আলোয় আলোকময় করে হে এলে আমার আলো
পাঠ ও পাঠভেদ:
- গীতবিতান অখণ্ড ( বিশ্বভারতী, কার্তিক
১৪১২ )-এর পূজা
পর্যায়ের ৩১৯ সংখ্যক গান। উপবিভাগ
আনন্দ
১১:
আলোয় আলোকময়
করে হে এলে আমার আলো।
আমার নয়ন হতে আঁধার মিলালো মিলালো ॥
সকল আকাশ সকল
ধরা
আনন্দে হাসিতে ভরা,
যে দিক-পানে নয়ন মেলি ভালো সবই ভালো ॥
তোমার আলো গাছের পাতায় নাচিয়ে তোলে প্রাণ।
তোমার আলো পাখির বাসায় জাগিয়ে তোলে গান।
তোমার আলো
ভালোবেসে
পড়েছে মোর গায়ে এসে,
হৃদয়ে মোর নির্মল হাত বুলালো বুলালো ॥
RBVBMS 478
[নমুনা]
রচনাকাল ও স্থান: RBVBMS 478
পাণ্ডুলিপিতে গানটির সাথে রচনাকাল ও রচনার স্থান উল্লেখ
আছে- '২০ শে অগ্রহায়ণ ১৩১৬/বোলপুর'।
উল্লেখ্য,
২৭শে আশ্বিন রবীন্দ্রনাথ
তাঁর পুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সাথে নিয়ে শিলাইদহে আসেন এবং পতিসরের উদ্দেশ্যে
রওনা দেন। উত্তরবঙ্গের জমিদারি তদারকি শেষ তিনি ১২ অগ্রহায়ণ,
কলকাতায় আসেন। ১৭ই অগ্রহায়ণ তিনি শান্তিনিকেতনে আসেন। দীর্ঘ দিন পর
শান্তিনিকেতনে ফিরে ২০শে অগ্রহায়ণ এই গানটি রচনা করেন। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৪৮
বৎসর ৭ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ
- গান
-
গীতবিতান
- গীতলিপি দ্বিতীয় ভাগ (৬ আষাঢ়,১৩১৭ বঙ্গাব্দ,২০ জুন ১৯১০
খ্রিষ্টাব্দ)। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-কৃত
স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
-
গীতাঞ্জলি
-
প্রথম সংস্করণ [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস। ২০ ভাদ্র ১৩১৭
বঙ্গাব্দ। ৪৬
সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা: ৫৪]
[নমুনা]
- রবীন্দ্ররচনাবলী একাদশ খণ্ড (বিশ্বভারতী)।
গীতাঞ্জলি। ৪৫ গান। পৃষ্ঠা ৩৭।
-
গীতিচর্চ্চা
[বিশ্বভারতী ১৩৩২ বঙ্গাব্দ। ৭ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৪-৫]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- ধর্ম্মসঙ্গীত
[ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ৩৭-৩৮]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
- বৈতালিক
[চৈত্র ১৩২৫
বঙ্গাব্দ। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল]
- সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি
[১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ,
১৩৩৪ বঙ্গাব্দ। ভীমরাও শাস্ত্রী-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।]
-
স্বরবিতান অষ্টাত্রিংশ খণ্ড
(৩৮) খণ্ডের ২৪ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৭০-৭১]
[নমুনা]
পত্রিকা:
- প্রকাশের কালানুক্রম:
১৩১৬ বঙ্গাব্দের
১১ই মাঘ অনুষ্ঠিত
৮০তম মাঘোৎসবের
প্রাতঃকালীন
অধিবেশনে গানটি পরিবেশিত হয়েছিল। এই সূত্রে গানটি
তত্ত্ববোধিনী
পত্রিকার 'ফাল্গুন ১৩১৬' সংখ্যায় মুদ্রিত হয়েছিল।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে
অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
গীতাঞ্জলি
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৭
বঙ্গাব্দ),গীতলিপি দ্বিতীয় ভাগ
(১৩১৭
বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ),
বৈতালিক (১৩২৫ বঙ্গাব্দ),
গীতিচর্চ্চা
(১৩৩২ বঙ্গাব্দ) ও
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি
(১৩৩৪ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল
গ্রন্থাদিতে গানটি প্রকাশের পর
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণে
গীতাঞ্জলি (১৩১৭ বঙ্গাব্দ) থেকে গৃহীত হয়েছিল।
এরপর
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে। এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের
আনন্দ
উপবিভাগের
একাদশ
গান হিসেবে। ১৩৭১
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩১৯ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল। গানটি
একইভাবে অখণ্ড গীতবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত
হয়েছিল ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
- স্বরলিপিকার:
-
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। [সঙ্গীত-প্রকাশিকা
ও
গীতলিপি
দ্বিতীয়
ভাগ]
-
ভীমরাও শাস্ত্রী। [সংগীত-গীতাঞ্জলি।]
-
দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
[বৈতালিক চৈত্র ১৩২৫]
- দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত
স্বরলিপি ও ভীমরাও শাস্ত্রী-কৃত স্বরলিপি স্বরবিতান-৩৮-এর ৯৪ পৃষ্ঠায় অংশত গৃহীত
হয়েছে। স্বরবিতান-৩৮-এ গৃহীত মূল স্বরলিপিটি কার তা জানা যায় না।
- পর্যায়