মহাদেব
বানান বিশ্লেষণ: ম্+অ+হ্+আ+দ্+এ+ব্+অ
উচ্চারণ:
mɔ.ɦa.d̪eb
(ম.হা.দেব্)
শব্দ-উৎস:
সংস্কৃত মহাদেব>
বাংলা মহাদেব
পদ:
বিশেষ্য
ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা
{|
হিন্দু দেবতা |
হিন্দু দৈবসত্তা |
দৈবসত্তা |
অতিপ্রাকৃতিক সত্তা |
অতিপ্রাকৃতিক বিশ্বাস |
বিশ্বাস |
প্রজ্ঞা |
জ্ঞান |
অভিজ্ঞা |
মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা |
বিমূর্তন |
বিমূর্ত সত্তা |
সত্তা |
}
অর্থ: হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-তিন প্রধান দেবতার (ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বা মহাদেব) অন্যতম। ইনি স্বয়ম্ভূ। ইনি ধ্বংসের অধিকর্তা।
সমনাম:
অ,
অকূল,
অক্ষত, অক্ষমালী, অক্ষোভ্য, অগ্নিশেখর, অঘোর, অতিদেব, অদ্ভুতস্বন, অদ্রিনাথ, অদ্রিপতি, অদ্রিশ, অদ্রীশ, অনঙ্গারি, অনীশ,
অন্ধকঘাতী, অন্ধকরিপু অন্ধকান্তক, অন্ধকারি, অবিমুক্তেশ্বর, অব্জবাহন, অব্যক্ত, অব্যয়, অভিরূপ, অমরাধিপ, অমর্রে, অমূর্ত, অমোঘ, অম্বরীষ, অম্বিকনাথ,
অম্বিকাপতি, অযুগনয়ন, অযুগনেত্র, অযোনিজ, অযুগ্মনয়ন, অযুগ্মনেত্র, অযুগ্মলোচন, অযোনি, অর্ধনারীশ, অর্ধনারীশ্বর, অর্ধমৌলি, অর্ধেন্দুমৌলি, অর্ধেন্দুশেখর,
অষ্টমূর্তিধর, অসমনয়ন, অসমনেত্র, অসমলোচন, অস্থিধন্না, অস্থিমালী, অহিভূষণ, আদিদেব, আশুতোষ, ইন্দুভূষণ, ইন্দুভৃৎ, ইন্দুমৌলি, ঈশান, উমাপতি, উমাসহায়,
উমেশ, উরগভূষণ, একনাথ, কঙ্কালমালী, কণ্ঠনীলক, কণ্ঠেকাল, কন্দর্পজয়ী, কন্দর্পমথন, কন্দুকেশ্বর, কপর্দী, কপালভৃৎ, কপালমালী, কপালী, কপিশাঞ্জন,
কপোতেশ্বর, কলাধর, কলাভৃৎ, কাপালী, কামারি, কালকণ্ঠ, কালনাথ, কালনিধি, কালঞ্জর, কালরুদ্র, কাশীনাথ, কাশীশ, কাশীশ্বর, কাশীপতি, কুলেশ্বর,
কৃতজ্বর, কৃত্তিবাস, কৃশানুরেতাঃ, কেদার, কেদারনাথ, কেদারেশ্বর, কৈলাসনাথ, কৈলাসপতি, কৈলাসেশ্বর, খকুন্তল, খণ্ডপরশু, গঙ্গাধর, গজারি, গণনাথ, গণভর্তা,
গিরিজানাথ, গিরিজাপতি, গিরিশ, গিরীশ, গুড়াকেশ, চন্দ্রচূড়, চন্দ্রপীড়, চন্দ্রবর, চন্দ্রমৌলি, চন্দ্রশেখর, চন্দ্রিল, চন্দ্রেশ্বর, চেকিতান, জটাটঙ্ক, জটাধর, জটাধারী,
জয়ন্ত, জ্বালী, গৌরীকান্ত, গৌরীনাথ, তারকনাথ, তারকেশ্বর, ত্রিনয়ন, ত্রিনাথ, ত্রিনেত্র, ত্রিপুরঘ্ন, ত্রিপুরান্তক, ত্রিপুরারি, ত্রিলোকেশ, ত্রিলোচন, ত্রিশূলধারী, ত্রিশূলী,
ত্র্যক্ষ, ত্র্যম্বক, দিগম্বর, দিগ্বসন, দিগ্বস্ত্র, দিগ্বাস, দুর্গাধীশ, দুর্গাপতি, দুর্গেশ, দেবাদিদেব, দেবেশ, ধূর্জটি, নটরাজ, নটশেখর, নটেশ্বর, নিরঞ্জন, নীলকণ্ঠ, নীলগ্রীব,
নীললোহিত, পঞ্চমুখ, পঞ্চানন, পরমেষ্ঠী, পরান্তক, পশুপতি, পিঙ্গজট, পিনাকপাণি, পিনাকী, পিনাকেশ, পুরঞ্জিৎ, পুরভিদ, পুরমথন, পুরারি, পুরহর, প্রমথেশ,
বভ্রূ, বহ্নিরেতাঃ, বিভূ, বিভূতিভূষণ, বিরূপাক্ষ, বিশালাক্ষ, বিশ্বনাথ, বিশ্বেশ্বর, বিষকণ্ঠ, বিষমাক্ষ, বীরেশ্বর, বৃষধ্বজ, বৃষবাহন, ব্যোমকেশ, ভগালী, ভবানীপতি,
ভবেশ, ভর্গ, ভালচন্দ্র, ভূতনাথ, ভূতপতি, ভূতভাবন, ভূতেশ, ভৈরব, ভোলা, ভোলানাথ, বহ্নিরেতাঃ, বাণদেব, বাণেশ্বর, বামদেব, বিরূপাক্ষ, বীরেশ্বর,
মহাকাল, মহাদেব, মহানট, মহারুদ্র, মহেশ, মহেশান, মহেশ্বর, মারজিৎ, মৃগাঙ্গমৌলি, মৃগাঙ্গশেখর, মৃত্যুঞ্জয়, যজ্ঞেশ্বর, যজ্ঞারি, যমান্তক, যোগধারী,
যোগীন্দ্র, যোগীশ, যোগীশ্বর, যোগেশ, যোগেশ্বর, রুদ্র, লোকনাথ, শঙ্কর, শম্ভু, শশীভূষণ, শশীভৃৎ, শশীশেখর, শিব, শূলপাণি, শূলী, শ্যামাধর,
শ্রীকণ্ঠ, সতীন্দ্র, সতীপতি, সতীশ, সদাশিব, সনাতন, সর্বেশ্বর, সিতিকণ্ঠ, সিদ্ধদেব, সুরেশ্বর, সোমনাথ, সোমেশ্বর, স্মরজিৎ, স্মরারি, হ,
হর, হিরণ্যরেতাঃ।
সূত্র:
- বঙ্গীয় শব্দকোষ (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সাহিত্য অকাদেমী। ২০০১।
- বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান। মার্চ ২০০৫।
- ব্যবহারিক শব্দকোষ। কাজী আব্দুল ওদুদ। প্রেসিডেন্সী লাইব্রেরী। কলিকাতা।
- শব্দবোধ অভিধান। আশুতোষ দেব। দেব সাহিত্য কুটির। মার্চ ২০০০।
- সংসদ বাংলা অভিধান। সাহিত্য সংসদ। শৈলেন্দ্র বিশ্বাস। মার্চ ২০০২।
- সরল বাঙ্গালা অভিধান। সুবলচন্দ্র মিত্র।