অতি-পারমাণবিক কণা

ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা { | অতি-পারমাণবিক কণা |  কায়া | এককঅংশ | দৈহিক-লক্ষ্যবস্তু | দৈহিক সত্তা | সত্তা |}
ইংরেজি:
subatomic particles।

বস্তুজগতের অণুগুলো তৈরি হয়, পরমাণু দিয়ে। আর যে সকল কণা দিয়ে পরমাণু তৈরি হয়, তাদের সাধারণ নাম অতি-পারমাণবিক কণা। আমাদের ত্রিমাত্রিক জগতের বিচারে এরা অতি-সামান্য জায়গা দখল করে। কিন্তু এরা কোয়ান্টাম কৌশলের বিধি মেনে পরমাণু গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এই কণাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ঘূর্ণন। অতিপারমণিবক কণার ঘূর্ণ নির্ধারিত হয় এর দৃশ্যমানতার বিচারে। ঘূর্ণনের বিচারে এই কণাগুলোকে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়।

মৌলিক বা যৌগিক কণাগুলোর গঠন-প্রকৃতিতে অনুসারে দুই ধরনের অতি পারমাণবিক কণা পাওয়া যায়। এই ধরণ দুটি হলো- বোসন আর ফার্মিয়ন। নিচে এই সকল কণার আদি স্তর থেকে শেষ স্তরের একটি বিন্যাস দেওয়া হলো।

 

অতিপারমাণবিক কণার ক্রমবিন্যাস

অতি-পারমাণবিক কণার গাঠনিক ক্রমস্তর


সূত্র:
বাংলা একাডেমী বিজ্ঞান বিশ্বকোষ। ১-৫ খণ্ড।
http://en.wikipedia.org/wiki/Atom